সৃজনশীলে পরীক্ষা নেয়া হলেও পড়ানো হচ্ছে সনাতন পদ্ধতিতে : লায়ন বাশার

বিএসবি-ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ বলেছেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে এ পদ্ধতি চালুর দীর্ঘ আট বছর পার হলেও এ পদ্ধতি পুরোপুরি আয়ত্ব হয়নি। শিক্ষকরা ট্র্যাডিশনাল সিস্টেমে আছেন, ছেলে-মেয়েরাও একই সিস্টেমে আছে। সৃজনশীলে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে, অথচ পড়ানো হচ্ছে সনাতন পদ্ধতিতে।

গতকাল রোববার রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত এক কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। লায়ন বাশার আরো বলেন, দেশের মফস্বল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নের চিত্র আরো খারাপ। যেখানে শিক্ষকরাই এ পদ্ধতি বুঝতে পারেনি এবং প্রশ্ন তৈরি করতে পারেন না। সেখানে পাঠদানের দশা আরো করুণ। সরকারি প্রতিবেদনেও এ পদ্ধতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করার চিত্র বেড়িয়ে আসছে। এরপরও জোরালো কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। গতকাল রোববার ঢাকার পুলিশ কনভেনশন হলে আয়োজিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়োজন করে বিএসবি-ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ। অনুষ্ঠানে তিন সেশনে চলতি বছরের এসএসসিতে উত্তীর্ণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার এবং প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসির ১৫০-সহ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে প্রথম সেশনে সকাল ১০টায় তিন হাজার ২০০ মেয়ে শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় সেশনে দুপুর আড়াইটায় দুই হাজার ৩শ’ ছেলে এবং বিকেল পাঁচটায় পিইসি ও জেএসসির ১৫০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট তুলে দেন দেশের ডিজিটাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রূপকার লায়ন এম কে বাশার। সংবর্ধিত হওয়া এসব শিক্ষার্থীরা মেধা মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিএসবি ফাউন্ডেশন পরিচালিত ক্যামব্রিয়ান কলেজসহ গ্রুপের অন্যান্যর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কলারশীপের মাধ্যমে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এর বাইরে অনুষ্ঠান মঞ্চের পাশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ স্কলারশীপের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার খ্যাতিনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা ও বিশ্বমানের ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দিতে শিক্ষা মেলার আয়োজন করে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক। মেলায় শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন পর্যায়ের সাতটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এতে অংশ নেয়।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে এডমিশনের ‘ওপেন ডে’। প্রথম দিনের মেলায় অংশ নেয়া শ্রীলঙ্কার সাত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় হলোÑ ইউনিভার্সিটি অব কলম্ব, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালানিয়া, ইউনিভার্সিটি অব পেরাডেনিয়া, শ্রীলঙ্কান ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি। কলম্ব একাডেমি অব হসপিটালিটি ম্যানেজম্যান্ট, সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজম্যান্ট এবং ইসফট। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও মেলায় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরাও অংশ নেন।